ইনস্টল করা ড্রাইভারগুলো দেখা

--মাহমুদ খান

কম্পিউটারে যে কোন ডিভাইস চালানোর জন্য এর ড্রাইভার অত্যাবশ্যকীয় একটি বিষয়। আপনি যদি সেসব ইনস্টল করা ড্রাইভারের তালিকা দেখতে চান তাহলে কমান্ড প্রম্পটে driverquery লিখে এন্টার দিন। আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করা সব ড্রাইভারের তালিকা দেখা যাবে। তবে এটা এত দ্রুত যে, দেখে বোঝা সম্ভব নয়। ইনস্টল করা ড্রাইভারের তালিকা আপনি এমএস এক্সেলের মাধ্যমে দেখতে পারেন। এজন্য টাইপ করুন Driverquery/v/focsv. ফাইলের নাম হবে drivers.csv.

ফাইলটি ওপেন করলে সব ড্রাইভারের বিস্তারিত তথ্য পাবেন।

সূত্র: যুগান্তর – আইটি বিশ্ব - ১৩.০৯.২০০৭


ওয়েব গাইড: তথ্যভান্ডার নিয়ে এল বিডিপোর্টাল

কাজী ফাহিম আহমেদ

সম্প্রতি ইন্টারনেটে চালু হয়েছে একটি তথ্যভিত্তিক বাংলাদেশি ওয়েব পোর্টাল। জরুরি বেশ কিছু তথ্যের পাশাপাশি এতে রয়েছে সাম্প্রতিক খবরাখবর। পোর্টালটিতে রয়েছে হাসপাতাল ও ক্লিনিক, সন্ধানী ও রেড ক্রিসেন্ট রক্তব্যাংক, ফায়ার ব্রিগেড, ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে এমন ফার্মেসি, মেট্রোপলিটন পুলিশ ও র‌্যাবের ফোন নম্বর, সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থা, শপিং সেন্টার, দুতাবাস, বিমান সংস্থা, ট্রাভেল এজেন্সি এবং স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রভৃতির ফোন নম্বর। সার্চ অপশনের মাধ্যমেও ফোন নম্বর খুঁজে নেওয়া যাবে পোর্টালটির এ অংশ থেকে।

ঢাকার পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোর জরুরি ফোন নম্বরও রয়েছে এতে। পোর্টালটিতে রয়েছে বেশ কিছু খাবারের রেসিপির ভিডিও। দেশি, ভারতীয় ও পশ্চিমাসব ধরনের খাবারের রেসিপিই পাওয়া যাবে এতে। এই অংশেও সার্চ অপশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের রেসিপির চলমান চিত্র (ভিডিও) খুঁজে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ভিডিওগুলোর মান মোটামুটি ভালো। আরেকটি বিষয় রয়েছে পোর্টালটিতে, আর তা হচ্ছে ঢাকার যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো স্থানে যাওয়ার বাসে যাত্রাপথের তথ্য। ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশে সম্ভবত নতুন। এই অংশেও রয়েছে সার্চ অপশন। দুটি পথের নাম উল্লেখ করলেই বের হয়ে আসবে নির্দিষ্ট স্থান থেকে আপনার কাঙ্ক্ষিত স্থানে যেতে হলে কোন কোন বাস ও রুট রয়েছে। এতে দেখা যাবে বাংলা নাটক, চলচ্চিত্র, বাংলা ও ইংরেজি মিউজিক ভিডিও, অনলাইন গেমস, ক্রিকেট ও অন্যান্য খেলার ভিডিও ইত্যাদি।

রয়েছে ড্রাইভিং লাইসেন্স, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়াসংক্রান্ত তথ্য, আয়কর ও অন্যান্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অনলাইন ফর্ম, বাংলা ও ইংরেজি অনলাইন অভিধান, প্রতিদিনের রাশিফল ইত্যাদি। সব মিলিয়ে পোর্টালটিকে ভালোই বলা যায়। এর ওয়েব ঠিকানা: www.bdportal.info

সূত্র: প্রথমআলো কম্পিউটার প্রতিদিন ১৩.০৭.২০০৭

বাজারে ক্যাননের নতুন প্রিন্টার

জাবেদ সুলতান পিয়াস

বাংলাদেশের বাজারে ক্যাননের নতুন বাবল জেট প্রিন্টার পিক্সমা আইপি১৮৮০। গত মঙ্গলবার ঢাকার এক রেস্তঁরায় জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে নতুন এ প্রিন্টারটি বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশে ক্যানন প্রিন্টারের পরিবেশক জেএএন অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেএএন অ্যাসোসিয়েটসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ এইচ কাফি ও পরিচালক নজরুল ইসলাম চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ এইচ কাফি বলেন, ক্যানন সব সময়ই ব্যবহারকারীদের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে পণ্য বাজারজাত করে থাকে। নতুন এ প্রিন্টারটিও ব্যবহারকারীর বহুবিধ চাহিদা মেটাবে। স্বল্পদামের এ প্রিন্টারটি দিয়ে যেকোনো কাজ করা যাবে। এটি ছোট ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসার জন্য খুব উপযোগী।

বাবল জেট এই প্রিন্টারটি দিয়ে ছবি ছাপার সুবিধা পাওয়া যাবে। এতে থাকছে ফটো মুদ্রণের ফাইন (ফুল ফটোলিথোগ্রাফি ইংকজেট নলেজ ইঞ্জিনিয়ারিং) ইংক প্রযুক্তি। ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য এতে আরও থাকছে ক্যাননের নতুন ইজি লোডেড প্রিন্টিং পদ্ধতি ও সহজ ফটো প্রিন্টিং সফটওয়্যার। পিক্সমা আইপি১৮৮০ মডেলের এ প্রিন্টারটি দেখতেও বেশ আকর্ষণীয় এবং দ্রুতগতির। এটি দিয়ে ফটো পেপারে ভালো মানের ছবি ছাপা যাবে ৭০ সেকেন্ডের মধ্যে। আর সাধারণ কাগজে মিনিটে ২০ কপি একরঙা ও ১৬ কপি রঙিন কাগজ ছাপানো যাবে। এ প্রিন্টারটির দাম তিন হাজার ৯০০ টাকা।

সূত্র: প্রথমআলো – কম্পিউটার প্রতিদিন – ১৩.০৭.২০০৭

বন্যা আগুনেও টিকে থাকে হার্ডডিস্ক!

এপি অবলম্বনে শরীফ উল্লাহ

বন্যার পানি উঠে গেছে একতলায়। ল্যারি ও ন্যান্সি ম্যাকলিন্যান তাই তাঁদের কম্পিউটার দোতলায় তুলে রেখে বাড়ি ছাড়লেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। বন্যার পানি উঠে পড়ল দোতলাতেও। কম্পিউটারটি ডুবে গেল পুরোপুরি। যুক্তরাষ্ট্রের মিনাসোটা সিটির ম্যাকলিন্যান দম্পতি চিন্তায় পড়ে গেলেন। তাঁরা ধরেই নিলেন, কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে রক্ষিত মূল্যবান ও পুরোনো হাজার হাজার পারিবারিক ছবি উদ্ধার করা সম্ভব হবে না। কিন্তু তাঁদের মেয়ে জেনা ম্যাকলিন্যান হার্ডডিস্কটি একটি তথ্য পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়ে গেলেন। সেখানকার প্রকৌশলীরা হার্ড ড্রাইভে সংরক্ষিত পুরো তথ্য তাঁদের উদ্ধার করে দিলেন। ছবিগুলো পেয়ে উল্লসিত জেনা ম্যাকলিন্যান বললেন, ‘পানি-কাদায় মাখামাখি কম্পিউটার দেখে আমরা বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে।

হার্ডডিস্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেতরের কারিগরি যন্ত্রাংশে সমস্যা দেখা দিলে হার্ডডিস্ক কাজ করে না। কিন্তু বাইরের নিয়ামক যেমন বন্যার পানি, আগুন ইত্যাদিতে অনেক সময় এতে রাখা তথ্য নষ্ট হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পানি হার্ডডিস্কের ভেতর ঢুকতে পারে না।

বন্যায় বা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কম্পিউটারের মালিকেরা অনেক সময়ই ভাবেন তাঁরা তাঁদের মূল্যবান সব তথ্য আর ফেরত পাবেন না। কম্পিউটার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব সময় এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। কারণ নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত তথ্য সংরক্ষণ যন্ত্র থেকে কিছুটা হলেও তথ্য উদ্ধার করা যায়। এখন কম্পিউটার শিল্পের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কোম্পানিই এ সেবা দেওয়া শুরু করেছে।

ম্যাকলিন্যানদের হার্ডডিস্কের তথ্য উদ্ধার করে দিয়েছিল কম্পিউটার ফার্ম ক্রল অনট্র্যাক ইনকরপোরেটেড। প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট টড জনসন বলেন, ‘আমরা সমুদ্রের তলদেশে এক বছর পড়ে থাকা ল্যাপটপ কম্পিউটার ও হেলিকপ্টার থেকে নিচে পড়ে যাওয়া চুর্ণবিচুর্ণ ল্যাপটপের হার্ডডিস্ক থেকেও তথ্য উদ্ধার করেছি। এমনকি গুলিতে ছিদ্র হয়ে যাওয়া হার্ডডিস্ক থেকেও তথ্য উদ্ধার করা গেছে।গত মাসের উইসকনসিন, ইলিনয়েস, মিনাসোটা, ওহাইও ও ওকলাহোমার বন্যার্তদের জন্য ক্রল অনট্রাক তথ্য উদ্ধারের জন্য ৮৫০ ডলার ফি রাখছে। এর ১০ শতাংশ দান করা হচ্ছে রেডক্রসের তহবিলে।

সাধারণত উপাত্ত উদ্ধারের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো ৪০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত নেয়। এটা নির্ভর করে কী পরিমাণ উপাত্ত উদ্ধার করা যাবে তার ওপর। উইন্ডোজভিত্তিক কম্পিউটার, অ্যাপলের ম্যাক এমনকি আইপড বা মোবাইল ফোনের তথ্যও এসব প্রতিষ্ঠান উদ্ধার করে। এরপর সিডি, ডিভিডি বা নতুন হার্ড ড্রাইভে উপাত্তগুলো ফেরত দেওয়া হয়। সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য উপাত্ত উদ্ধারকারী প্রকৌশলীদের পরামর্শ হলো, সব সময় হার্ড ড্রাইভের উপাত্ত সিডি, ডিভিডি বা অন্য কোনো হার্ড ড্রাইভে সংরক্ষণ করা উচিত। আর এই সংরক্ষণ করা স্টোরেজ ডিভাইসটি কম্পিউটার যে স্থানে সে স্থানে না রেখে দুরে অন্য কোথাও রাখা উচিত। এতে একটা নষ্ট হলেও আরেকটা টিকে থাকবে।

সূত্র: প্রথমআলো – কম্পিউটার প্রতিদিন – ১৩.০৭.২০০৭


সার্চ একাডেমিক ডট লাইভ ডট কম

শিক্ষামূলক বিষয়ে অনলাইন সার্চ সেবা উন্মুক্ত করেছে সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটি এবার সার্চ ইঞ্জিনের দৌড়ে অংশ নিচ্ছে। তাদের উন্মুক্ত ইঞ্জিনটির নাম একাডেমিক ডট লাইভ ডট কম। মূলত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্যই বরাদ্দ হয়েছে ইঞ্জিনটি। ইতিমধ্যে অনলাইনে ইঞ্জিনটির মূল সংস্করণ পরীক্ষামূলক পর্যায় সফলভাবে অতিক্রম করেছে।

তারপরও বিশ্বের ১০টি নামকরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও প্রকাশনা সংস্থার সার্বিক তত্ত্বাবধানে উন্নয়ন চলছে সার্চ ইঞ্জিনটির। কারিগরি দিকটিতে কাজ করছে অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্পিউটিং মেশিনারি সংক্ষেপে এসিএম ও ইনস্টিটিউট অব ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্সের মতো খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান। পৃথিবীর বহু গবেষণালব্ধ প্রমাণাদি সার্চ ইঞ্জিনটির মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া সম্ভব। গুগল কিংবা এমএসএন সার্চ ইঞ্জিনকে পেছনে ফেলতেই মাইত্রেক্রাসফট ইঞ্জিনটি উন্মুক্ত করেছে বলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের ধারণা। প্রকাশিত এক রিপোর্টের ভিত্তিতে সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে গুগল ৪২ ভাগ, ইয়াহু ২৭.৬ ভাগ ও এমএসএন ১৩.৫ ভাগ জনপ্রিয়তা পেয়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়স্থানে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন বিষয়ে যারা গবেষণা করেন বিশেষ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্যই ইঞ্জিনটি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সার্চ ইঞ্জিনটি ব্যবহারের পেছনে কপিরাইটজনিত বিতর্কের অভিযোগ উঠেছে। প্রয়োজনে জ্ঞানপিপাসু যে কেউhttp://academic.live.com-G -এ সাইটে প্রবেশ করে গবেষণা সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

গবেষণায় একাডেমিক ইঞ্জিনটি ইতিমধ্যে বিভিল্পু বিষয়ের গবেষকদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সার্চ ইঞ্জিনের লড়াইয়ে এখন গুগলের প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক্রোসফট।

বিশ্ববাজারে আজ তথ্যই সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু। সে সূত্রে প্রয়োজনীয় ও জ্ঞানলব্ধ সব তথ্যের অবাধ প্রবাহের নিশ্চয়তা প্রয়োজন। সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইত্রেক্রাসফট তাই সার্চ ইঞ্জিনের জগতে গুগলের জনপ্রিয়তায় ভাগ করতে চায়। সার্চ ইঞ্জিনটির সার্বিক ব্যবহারিক নির্দেশনা নির্দিষ্ট ওয়েবে লিংক হিসেবে নিবন্ধিত করে সংগৃহীত আছে।

সূত্র: সমকাল-প্রযুক্তি প্রতিদিন ১২.০৯.২০০৭

চিকিৎসা বিষয়ক তথ্য ওয়েবে

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক ওয়েবসাইট এমবিবিএস ডক্টর ডট কম’-এ বিভিন্ন ধরনের রোগ সম্বন্ধে প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। একজন ভিজিটরের সুবিধার কথা মাথায় রেখে রোগগুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। বর্ণনা করা হয়েছে রোগের উপসর্গ ও লক্ষণ, কি করা উচিত, কিভাবে প্রতিরোধ করবেন, কখন ডাক্তার দেখাবেন ইত্যাদি বিষয়ে। এছাড়াও ডাক্তার, হাসপাতাল, এম্বুলেন্স, ব্লাড ব্যাংক, ডায়াগনস্টিক ল্যাব, ওষুধের দোকানসহ যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এই সাইটে। সাইটিটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায়ই লেখা হয়েছে। সাইটটির ঠিকানা: www.mbbsdoctor.com

সূত্র: যুগান্তর – আইটি বিশ্ব – ১২.০৭.২০০৭

সাদাকালো ছবিকে রঙিন করুন

মেহেদী আকরাম

ছবি তোলার অনেক স্টুডিওতেই আজকাল দেখা যায় এখানে সাদাকালো ছবি রঙিন করা হয়। পুরোনো ছবিকে নতুন করে দেওয়া হয়এরকম লেখা। এসব কাজ মূলত করা হয় ছবি সম্পাদনার জনপ্রিয় সফটওয়্যার অ্যাডোবি ফটোশপ দিয়ে।

ফটোশপে এ ধরনের কাজ করতে হলে ম্যাজিক টুল, ল্যাসো টুল, পলিগন টুল ও ম্যাগনেটিক টুল ব্যবহারে বেশ দক্ষ হতে হবে। অর্থাৎ নিখুঁতভাবে কোনো ছবির যেকোনো উপাদান বা যেকোনো অংশকে নির্বাচন করা জানতে হবে।প্রথমে একটি ছবি খুলুন। ছবিটির একটি অংশ (মনে করুন কারো পরনের শার্ট) নির্বাচন করুন। এ জন্য জুম ব্যবহার করে ছবিটা একটু বড় করে নিন। ম্যাজিক, ল্যাসো ইত্যাদি দিয়ে নির্বাচনের কাজটি করে নিন। পুরো শার্ট নির্বাচন করার ওপর ছবির রং পরিবর্তন করার মান নির্ভর করবে।

এবার ImageAdjustmentsHue/Saturation নির্বাচন করলে Hue/Saturation ডায়ালগ বক্স আসবে। এবার Colorize বোতামটিতে টিকচিহ্ন দিন। Hue, Saturation এবং Lightness-এর মান পরিবর্তন করে দেখুন শার্টের রং বদলে যাচ্ছে। এভাবে আপনি যেকোনো নির্দিষ্ট অংশের রং পরিবর্তন করতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে সাদাকালো ছবিকে রঙিন ছবিতে রৃপান্তর করতে পারেন। এ জন্য দরকার বেশিদক্ষতা।

এ তো গেল ফটোশপের কথা। কিন্তু দক্ষতা ছাড়াও কেউ যদি সহজে সাদাকালো ছবিকে রঙিন করতে পারত তাহলে কেমন হতো! রঙ পরিবর্তন বা রঙিন করার এমনই একটি সফটওয়্যার হচ্ছে রিকালারড। এই সফটওয়্যারের সাহায্যে খুব সহজেই সাদাকালো ছবিকে রঙিন করা যায়। এ জন্য www.recolored.com ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটির ২১ দিনের ট্রাইল ভার্সন ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার সাদাকালো ছবিটি ওপেন করুন। এখন চুলে কী রং দেবেন তার কাছাকাছি রং নির্বাচন করে ব্রাশ টুল (শেপ ২ দেওয়া ভালো) দিয়ে চুলের চারদিকে আঁকুন। এভাবে মুখ, চোখ, পোশাক, শরীর, পটভুমি ইত্যাদির সবকিছুই আলাদা আলাদাভাবে রং নির্বাচন করে এর চারপাশে আঁকতে হবে। নির্দিষ্ট এলাকার জন্য শুধু চারপাশের দাগ দিলেই হবে, ভরাট করতে হবে না। এবার Colorize বাটনে ক্লিক করলে (C চাপুন) ছবিটি রঙিন হয়ে যাবে। তবে সহজে বোঝার জন্য ইনস্টল করার সফটওয়্যারের ফোল্ডার থেকে কিছু উদাহরণ/টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন।

সূত্র: প্রথমআলো-কম্পিউটর প্রতিদিন – ১২.০৯.২০০৭